২১ ফেব্রুয়ারি: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের জন্ম বাংলাদেশে

Una famiglia legge libri in due lingue a casa.
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি; এটি প্রকৃত ব্যক্তি বা ঘটনার আলোকচিত্র নয়।

প্রতি ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব পালন করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অনেকেই জানেন না, এর জন্ম বাংলাদেশে: ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে মিছিল করতে গিয়ে ঢাকায় শহীদ হওয়া ছাত্রদের স্মরণে এই দিন।

একুশে

বাংলায় দিনটিকে বলা হয় শুধু একুশে। বাংলাদেশে এটি জাতীয় দিবস: ভোরে হাজারো মানুষ ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গাইতে গাইতে ঢাকার শহীদ মিনারে ফুল দেন। ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে; ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে।

প্রবাসে

বড় বাংলাদেশি কমিউনিটি থাকা শহরগুলোতে — ইতালিতেও — ২১ ফেব্রুয়ারি মিলনের দিন: তৈরি হয় প্রতীকী শহীদ মিনার, হয় পাঠ, গান ও স্কুলে অনুষ্ঠান। এখানে জন্ম নেওয়া শিশুদের সঙ্গে বাবা-মায়ের ভাষা নিয়ে কথা বলার, আর সব ভাষার মূল্য বোঝানোর সুযোগ।

মাতৃভাষা ও ইতালীয়

দ্বিভাষিকতা নিয়ে গবেষণা বলে, পারিবারিক ভাষা চর্চা ইতালীয় শেখায় বাধা নয়, বরং সহায়ক। ঘরে বাংলায় আর স্কুলে ইতালীয়তে গল্প পড়া — সারাজীবনের এক উপহার।

বিমাস সম্পাদকীয় দল

বিমাস – বাংলাদেশ ইমিগ্রেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইতালির সম্পাদকীয় দল। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের জন্য তথ্য, কমিউনিটি ও সংহতি।