বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে ইতালিতে কাজ করতে যাওয়া সম্ভব, তবে পথ একটাই — ডিক্রেতো ফ্লুসি। পথটি জানা থাকলে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি চেনা সহজ হয়।
ধাপগুলো
- ইতালির নিয়োগকর্তা বছরের কোটার মধ্যে নির্ধারিত দিনে (ক্লিক ডে) অনলাইনে আবেদন করেন।
- প্রেফেত্তুরার স্পোর্তেল্লো উনিকো প্রতিষ্ঠানের শর্ত যাচাই করে নুল্লা ওস্তা (কাজের অনুমতি) দেয়।
- কর্মী অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট ও নুল্লা ওস্তাসহ ঢাকার ইতালীয় দূতাবাসে ভিসার আবেদন করেন।
- ইতালিতে পৌঁছানোর ৮ দিনের মধ্যে স্পোর্তেল্লো উনিকোতে কনত্রাত্তো দি সোজর্নো (বসবাস চুক্তি) সই করে পারমিটের আবেদন করেন।
কেন এত জট লেগেছিল
২০২৪ সালের অক্টোবরে ১৪৫ নম্বর ডিক্রি-আইনে ইতালি জাল কাগজপত্রের আধিক্যের কারণে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের দেওয়া নুল্লা ওস্তার বৈধতা স্থগিত করে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি প্রায় ৪০ হাজার অপেক্ষমাণ আবেদনের ৮ হাজারের বেশি নিষ্পত্তি হয়। দূতাবাস জানায়, নতুন অনুমতিপত্র এখন দ্রুত প্রক্রিয়া হচ্ছে।
সোনালি নিয়ম
- শুধু সরকারি ফি দিন: দালালকে টাকা দিলে ভিসা বাতিল হতে পারে।
- কর্মীর ‘চুক্তি কেনার’ কথা নয়: প্রক্রিয়ার খরচ প্রতিষ্ঠানের।
- প্রতিষ্ঠান যাচাই করুন (ভ্যাট নম্বর, ঠিকানা, কার্যক্রম); দূতাবাসে কিছু লুকাতে বললে সতর্ক হোন।
২০২৫ সালে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি বৈধভাবে কাজ নিয়ে ইতালিতে গেছেন: প্রকৃত নিয়োগকর্তা থাকলে নিয়মিত পথ কাজ করে।





