ইতালিতে অস্তিত্বহীন একটি চাকরির চুক্তির জন্য তাঁরা দিয়েছেন ১৬,০০০ ইউরো পর্যন্ত। নাপোলির অভিবাসী ও শরণার্থী আন্দোলন (MMRN)-এর হিসাবে গত চার বছরে ১,২০০-র বেশি বাংলাদেশি জাল চুক্তিতে পাওয়া ভিসার ফাঁদে পড়েছেন। জুনে Hyphen সাময়িকী ঘটনাটি বিস্তারিত তুলে ধরে।
যেভাবে চলত প্রতারণা
দালালরা গ্রামে গিয়ে কৃষি, কারখানা বা টেক্সটাইলে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোক জোগাড় করত। তারা ভুয়া প্রতিষ্ঠানের — কখনো সত্যিকারের, কিন্তু কাউকে নিয়োগ দেবে না এমন প্রতিষ্ঠানের — সই করা চুক্তি দিত। তদন্তকারীদের মতে, কাজ দ্রুত করাতে কিছু কর্মচারীকে ঘড়ি, ফোন ও ভ্রমণ উপহার দেওয়া হতো।
ফেব্রুয়ারিতে ইতালির অর্থ পুলিশ (গার্দিয়া দি ফিনানৎসা) পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে: ঢাকার দূতাবাসের তিন কর্মী এবং রোমের দুই বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই হয়েছে ৮৮টি জাল ভিসা, তবে স্বীকারোক্তি বলছে সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
ভুক্তভোগীরা
অনেকে এখন নাপোলিতে অনানুষ্ঠানিক কাজ করে দিন কাটাচ্ছেন, প্রায়ই পরিবারের কাছে ঋণগ্রস্ত। MMRN-এর সহায়তা ডেস্কে প্রতি বৃহস্পতিবার একই ধরনের সমস্যা নিয়ে অন্তত একশ জন আসেন। অনেকে বিশেষ সুরক্ষা (প্রোতেৎসিওনে স্পেচিয়ালে)-র আবেদন করেছেন, যাতে দুই বছর বৈধভাবে থাকা ও কাজ করা যায়; একই ধরনের ক্ষেত্রে কিছু আদালত তা মঞ্জুর করেছে।
নিজেকে রক্ষা করবেন যেভাবে
- কাজের ভিসা শুধু ডিক্রেতো ফ্লুসির মাধ্যমে নিয়োগকর্তার আবেদনের পরই দেওয়া হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই আছে কি না যাচাই করুন, যেমন ইতালিতে থাকা আত্মীয়দের মাধ্যমে।
- ‘নিশ্চিত’ ভিসার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কাউকে টাকা দেবেন না।





