২০২৪ সালে বাংলাদেশি নাগরিকদের ২৮,০৪৫টি নতুন পারমিট দেওয়া হয়: ৬৬.৭% আশ্রয় বা সুরক্ষার, ২০.৩% পারিবারিক এবং মাত্র ১০.৮% কাজের। অর্থাৎ অনেকের কাছে সুরক্ষাই ইতালিতে বৈধ জীবনের প্রথম দরজা।
সুরক্ষার ধরন
- শরণার্থী মর্যাদা: জাতি, ধর্ম, জাতীয়তা, রাজনৈতিক মত বা কোনো সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার কারণে নিপীড়নের ঝুঁকিতে থাকলে।
- সাবসিডিয়ারি সুরক্ষা: গুরুতর ক্ষতির (মৃত্যুদণ্ড, নির্যাতন, ব্যাপক সহিংসতা) ঝুঁকিতে থাকলে।
- বিশেষ সুরক্ষা: দেশে ফেরত পাঠালে নির্যাতন, অমানবিক আচরণ বা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি থাকলে।
যা বদলেছে
সাম্প্রতিক সংস্কারে বিশেষ সুরক্ষার পরিধি সংকুচিত হয়েছে এবং একে দীর্ঘমেয়াদি কাজের পারমিটে রূপান্তরের সুযোগ বাতিল হয়েছে। স্বীকৃতির হারও কমেছে। তবু কিছু আদালত বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন বছরের পর বছর ইতালিতে থাকা ভিসা-প্রতারণার শিকারদের, এটি মঞ্জুর করছে।
একা চেষ্টা নয় কেন
বাংলাদেশসহ ‘নিরাপদ দেশের’ নাগরিকদের দ্রুত প্রক্রিয়ায় কাগজ জমা ও আপিলের সময় কম। শুরুতেই অভিবাসন বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবী বা কোনো সংগঠনের কাছে যান। আয় কম হলে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনি সহায়তা (পাত্রোচিনিও আ স্পেজে দেল্লো স্তাতো), অর্থাৎ বিনা মূল্যে আইনজীবী চাওয়া যায়।





