ইতালি থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নবায়ন: এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট

Allo sportello per il passaporto del Bangladesh un uomo lascia le impronte digitali mentre un’impiegata lavora al computer.
Immagine illustrativa generata con IA; non documenta persone o fatti reali.

বৈধ পাসপোর্ট প্রায় সব কাজেই লাগে: পেরমেসো দি সোজর্নো নবায়ন, নাগরিকত্বের আবেদন, ভ্রমণ। ইতালিতে বাংলাদেশে না গিয়েই রোমের বাংলাদেশ দূতাবাস বা মিলানের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে পাসপোর্ট নবায়ন করা যায়।

এমআরপির বিদায়, এলো ই-পাসপোর্ট

বাংলাদেশ মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) জায়গায় চিপযুক্ত ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) চালু করছে। ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে বিদেশের মিশনগুলো শুধু ই-পাসপোর্ট দেবে। আগে দেওয়া এমআরপি তাতে ছাপা মেয়াদ পর্যন্ত বৈধ থাকবে।

ধাপগুলো

  1. অনলাইনে আবেদন করুন অফিসিয়াল পোর্টাল epassport.gov.bd-তে: মিশন (রোম বা মিলান), পৃষ্ঠা সংখ্যা (৪৮ বা ৬৪) ও মেয়াদ (৫ বা ১০ বছর) বেছে নিন। ফর্মটি প্রিন্ট করুন।
  2. দূতাবাস বা কনস্যুলেটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
  3. বায়োমেট্রিক: আঙুলের ছাপ, ছবি ও স্বাক্ষর। নিশ্চিত করার আগে স্ক্রিনে নাম, জন্মতারিখ ও জন্মস্থান ভালো করে মিলিয়ে নিন: পরে সংশোধন করা খুবই কঠিন।
  4. সংগ্রহ: পাসপোর্ট তৈরি হলে এসএমএস আসবে। রসিদের কোড দিয়ে অনলাইনে আবেদনের অবস্থা দেখা যায়। সাধারণত দুই মাস পর্যন্ত সময় লাগে।

কাগজপত্র

  • বর্তমান পাসপোর্ট ও তথ্যের পৃষ্ঠাগুলোর ফটোকপি।
  • পেরমেসো দি সোজর্নোর মূল কপি ও ফটোকপি।
  • এনআইডি অথবা অনলাইনে যাচাইযোগ্য জন্ম নিবন্ধন (everify.bdris.gov.bd), পাসপোর্টের সাথে হুবহু মিল থাকতে হবে।
  • প্রিন্ট করা আবেদন ফর্ম, ফি পরিশোধের রসিদ এবং মিশন চাইলে প্রয়োজনীয় ঘোষণাপত্র।

খরচ কত

ফি নির্ভর করে পৃষ্ঠা, মেয়াদ ও ডেলিভারির ধরনের (রেগুলার বা এক্সপ্রেস) ওপর। বিদেশে বসবাসকারীদের জন্য এটি ডলারে নির্ধারিত, প্রায় ১১০ থেকে ২৫০ ডলার; ইতালিতে পরিশোধ করতে হয় ইউরোতে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ ফি দেখে নিন।

নাম ও তারিখ না মিললে

পাসপোর্টের তথ্য এনআইডি ও জন্ম নিবন্ধনের সাথে মিলতে হবে, আর ইতালিতে পারমিট ও কোদিচে ফিসকালেতেও এই একই তথ্য ব্যবহার হয়। সংশোধনের সুযোগ সীমিত, আর এনআইডি নেই এমন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ইতালি থেকে তা খুবই কঠিন। ঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশে বসবাসকারীরা এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন দিয়ে তথ্যের পার্থক্য সংশোধন করতে পারবেন কেবল ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত – এমন সমস্যা থাকলে দেরি করবেন না।

ঠিকানা: বাংলাদেশ দূতাবাস, Via dell’Antartide 5-7, 00144 রোম · বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, Via Giambellino 7, 20146 মিলান। সময়সূচি ও নোটিশ তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে দেখে নিন। টাকার বিনিময়ে “দ্রুত” পাসপোর্টের প্রস্তাব এড়িয়ে চলুন।

বিমাস সম্পাদকীয় দল

বিমাস – বাংলাদেশ ইমিগ্রেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইতালির সম্পাদকীয় দল। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের জন্য তথ্য, কমিউনিটি ও সংহতি।