মেস্ত্রের ‘জুলিও চেজারে’ সমন্বিত স্কুলের দুটি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তির সময় মাত্র তিনটি শিশুর ইতালীয় পদবি ছিল। ‘চেজারে বাত্তিস্তি’ প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ইতালীয় শিক্ষার্থী প্রায় নেই, আর মাধ্যমিকের ছয়টি শ্রেণিতে আছে দশজনের মতো। বাকিদের প্রায় সবাই বাংলাদেশি পরিবারের সন্তান। সেপ্টেম্বরে Tgcom24 এই চিত্র তুলে ধরে।
কেন এখানেই
স্কুলটি মারগেরা ও রেলস্টেশনের কাছে, যেখানে অনেক বাংলাদেশি পরিবার থাকে; বাবা-মায়েরা মূলত নির্মাণ, জাহাজ শিল্প ও রেস্তোরাঁয় কাজ করেন।
কর্মী সংকট
প্রশাসনিক ও সহায়ক কর্মীদের বেশির ভাগ ছিলেন অস্থায়ী; অনেকে বদলির আবেদন করেছেন, আর আঞ্চলিক তালিকা থেকে নতুন কেউ এই স্কুল বেছে নেননি। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ইতালীয় না জানা অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের সমস্যা এবং সাংস্কৃতিক মধ্যস্থতাকারীর অভাব। ১ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেওয়া নতুন প্রধান শিক্ষক আন্তোনেল্লা জুক্কারিনি একে ‘বড় চ্যালেঞ্জ’ বলেছেন এবং ‘টেকসই সিদ্ধান্তের’ কথা বলেছেন।
সবার জন্য একটি প্রশ্ন
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভেনিস অঞ্চলের একটি স্কুল শিশুদের জন্য বাংলা ভাষার কোর্স চালু করেছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাতৃভাষার দক্ষতা ইতালীয় শিখতেও সাহায্য করে। পরিবারগুলোর জন্য প্রথম পদক্ষেপ: অভিভাবক-শিক্ষক সভায় যাওয়া এবং CPIA-তে প্রাপ্তবয়স্কদের বিনা মূল্যের ইতালীয় কোর্সে ভর্তি হওয়া।





