২০২৭ সালে ইতালি সর্বোচ্চ ১,৬৫,৮৫০ জন বিদেশি কর্মী নেবে: অমৌসুমি চাকরির জন্য ৭৬,২০০, কৃষি ও পর্যটন খাতে মৌসুমি কাজের জন্য ৮৯,০০০ এবং স্বনিযুক্ত কাজের জন্য ৬৫০ জন। এই কোটা ২০২৬–২০২৮ ত্রিবার্ষিক পরিকল্পনার অংশ; অক্টোবরের শুরুতে স্বরাষ্ট্র, শ্রম, কৃষি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় তা ঘোষণা করে।
যে ৩৭টি দেশের নাগরিকদের এই ডিক্রির আওতায় নিয়োগ দেওয়া যাবে, বাংলাদেশ তার একটি; তবে বাংলাদেশের জন্য আলাদা কোনো কোটা নেই। অর্থাৎ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য করা আবেদন অন্যান্য দেশের আবেদনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
- ২৩ অক্টোবর – ৭ ডিসেম্বর ২০২৬: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পোর্টালে আবেদন আগাম পূরণ।
- ১২ জানুয়ারি ২০২৭: কৃষি খাতে মৌসুমি কাজের আবেদন জমা।
- ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭: পর্যটন খাতে মৌসুমি কাজ।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭: অমৌসুমি চাকরি।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭: গৃহকর্ম ও সেবামূলক কাজ।
আবেদন কে করবেন
আবেদন সবসময় ইতালির নিয়োগকর্তা করেন, কর্মী নিজে নন। ইমিগ্রেশন অফিস (স্পোর্তেল্লো উনিকো) কাজের অনুমতি বা ‘নুল্লা ওস্তা’ দিলে কর্মী ঢাকার ইতালীয় দূতাবাসে ভিসার আবেদন করেন।
দালাল থেকে সাবধান
গত কয়েক বছরে জাল কাগজপত্রের কারণে বাংলাদেশি কর্মীদের হাজার হাজার আবেদন আটকে গেছে; ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইতালি আগে দেওয়া নুল্লা ওস্তা নতুন যাচাই না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করে। কোনো দালাল ভিসার নিশ্চয়তা দিতে পারে না। কাউকে টাকা দেওয়ার আগে নিশ্চিত হোন যে প্রতিষ্ঠানটি সত্যিই আছে, আর ‘চুক্তির’ জন্য হাজার হাজার ইউরো চাইলে সতর্ক থাকুন।





