২০২৬ সালে সমুদ্রপথে ইতালিতে আগমন অনেক কমেছে, তবে যাঁরা পৌঁছাচ্ছেন তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই এখনো সবচেয়ে বড় দল। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট ২৪,৮৬৪ জনের মধ্যে ৫,৯৭৪ জন বাংলাদেশি, অর্থাৎ প্রায় ২৪ শতাংশ।
২০২৫ সালের অর্ধেকেরও কম
পতন স্পষ্ট: ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগমন ছিল ১৯,৭৪৭, যেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ৪৩,৮৬০ এবং ২০২৪ সালে ৪২,৫৪৪। বাংলাদেশের পরে রয়েছে সোমালিয়া, আলজেরিয়া, সুদান ও পাকিস্তান। অভিভাবকহীন অপ্রাপ্তবয়স্কদের আগমনও কমেছে: জানুয়ারি–আগস্টে ৩,৮৪৮ জন, আগের বছর একই সময়ে ছিল ৭,৮১০।
লিবিয়ার পথ
বেশির ভাগ বাংলাদেশি আসেন লিবিয়া হয়ে, পাচারকারী চক্রের আয়োজিত যাত্রায়, যারা পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অর্থ আদায় করে। এ মাসেই বাংলাদেশ পুলিশ এই পথে সক্রিয় ১৮টি চক্র শনাক্ত করেছে।
পৌঁছানোর পর কী হয়
২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘নিরাপদ উৎস দেশ’ তালিকায় রয়েছে; তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন সাধারণত দ্রুত প্রক্রিয়ায় বিবেচিত হয়। তবু যে কেউ সুরক্ষার আবেদন করার এবং বোধগম্য ভাষায় তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখেন। পরামর্শের জন্য কোনো সংগঠন বা অভিবাসন বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাহায্য নিন।





