ইতালিতে বাংলাদেশি নাগরিক বা বংশোদ্ভূত প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বাস করেন — ইউরোপীয় ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি কমিউনিটি। সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর সাক্ষাৎকারে ঢাকায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো এ কথা বলেন।
ভিসা
- কাজ: ২০২৫ সালে প্রায় ১০,০০০ ভিসা; ২০২৬ সালেও একই সংখ্যা প্রত্যাশিত। নতুন অনুমতিপত্র তুলনামূলক দ্রুত প্রক্রিয়া হয়, প্রত্যাখ্যানও কম।
- পরিবার: প্রতিবছর ১২–১৩ হাজার পারিবারিক পুনর্মিলন ভিসা।
- পড়াশোনা: ২০২৫ সালে প্রায় ৫০০ ভিসা; সংখ্যা বাড়বে, তবে ‘নিয়ন্ত্রিতভাবে’, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সীমিত।
২০২৪ সালের অক্টোবরের আইনে স্থগিত পুরোনো অনুমতিপত্রগুলো পুনর্বিবেচনা করা হয় এবং অনেকগুলো বাতিল হয়। স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসায় প্রত্যাখ্যানের হার বেশি, যার কারণ হিসেবে রাষ্ট্রদূত জাল বা নকল কাগজপত্রের কথা বলেন। তাঁর ভাষায়, ‘সবাই ইতালি যেতে পারবেন না’ — প্রতিবছর বৈধ প্রবেশের সংখ্যা সীমিত।
অর্থনীতি
দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ বছরে প্রায় ২০০ কোটি ইউরো: ইতালি বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও অন্যান্য পণ্য কেনে এবং শিল্প যন্ত্রপাতি ও সিরামিক বিক্রি করে। বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৫ শতাংশ, গত বছর প্রায় ১৭০ কোটি ডলার, আসে ইতালি থেকে। নতুন বাংলাদেশ–ইতালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি চালুর প্রক্রিয়া চলছে।





