২০২৩/২৪ শিক্ষাবর্ষে ইতালির স্কুলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ছিল ৩১,২৩৩ জন, আগের বছরের চেয়ে ১২.৫% বেশি; প্রায় অর্ধেক মেয়ে। তবু সদ্য আসা অনেক পরিবার জানে না যে কাগজপত্র ঠিক না থাকলেও স্কুলে পড়া শিশুর অধিকার।
শিক্ষার অধিকার
আইন অনুযায়ী বিদেশি শিশুরা বসবাসের বৈধতা নির্বিশেষে শিক্ষার অধিকার রাখে। বাধ্যতামূলক শিক্ষায় ভর্তির জন্য পেরমেসো দি সোজর্নো লাগে না: কাগজ কম থাকলেও স্কুল শিশুকে নিতে বাধ্য। কোদিচে ফিসকালে না থাকলে সিস্টেম একটি অস্থায়ী কোড তৈরি করে।
ভর্তি পদ্ধতি
- প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের প্রথম বর্ষে ভর্তি হয় মন্ত্রণালয়ের ‘উনিকা’ প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে, সাধারণত জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে।
- বছরের মাঝে ইতালিতে এলে যেকোনো সময় সরাসরি স্কুলের অফিসে ভর্তি করা যায়।
- কিন্ডারগার্টেনে (৩–৬ বছর) একই সময়ে আবেদন, তবে আসনের ওপর নির্ভর করে।
ভর্তির পর
অনেক স্কুলে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইতালীয় শেখানো হয় এবং সম্ভব হলে অভিভাবক সভায় সাংস্কৃতিক মধ্যস্থতাকারী থাকেন। স্পষ্ট করে চেয়ে নিন। অভিভাবক সভায় যাওয়া, অনলাইন রেজিস্টার দেখা এবং ক্যান্টিন ও বিকেলের কার্যক্রমে সন্তানকে যুক্ত করা অনেক সাহায্য করে।
মাধ্যমিকে থেমে যাবেন না
ইতালির বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ১,১৬৬ জন, যা ৩৪.৫% বেড়েছে; কিন্তু ১৮–২৪ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণদের ৩৩.৪% পড়াশোনা বা কাজ কোনোটাই করে না। আঞ্চলিক বৃত্তি ও পরামর্শ সেবা বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও খোলা।





