ক্রিকেট: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতালির প্রথম জয় — অভিবাসীদের মাঠে জন্ম নেওয়া এক গল্প

Un giocatore di cricket amatoriale si allena su un campo in Italia.
এআই দিয়ে তৈরি প্রতীকী ছবি; এটি প্রকৃত ব্যক্তি বা ঘটনার আলোকচিত্র নয়।

১২ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইতালি নেপালকে ১০ উইকেটে হারায়: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে এসেই কোনো ক্রিকেট বিশ্বকাপে দেশটির প্রথম জয়। নেপাল অলআউট হয় ১২৩ রানে; ইতালি ১২.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ১২৪ রান তোলে — অ্যান্থনি ও জাস্টিন মস্কা ভাইয়েরা অপরাজিত থাকেন ৬২ ও ৬০ রানে। স্পিনার ক্রিশান কালুগামাগে নেন ১৮ রানে ৩ উইকেট।

পার্কের মাঠে শিকড়

ইতালিতে ক্রিকেটের বিস্তার ঘটেছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে আসা অভিবাসীদের হাত ধরে, যাঁরা আশি ও নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মাঠ ভাগ করে আর অস্থায়ী নেট টানিয়ে খেলতেন। এখন সারা দেশে ক্লাবের সংখ্যা একশ ছাড়িয়েছে। ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলোর একটি রোম বাংলা মর্নিং সান, রাজধানীর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে যার জন্ম।

বাছাইপর্বের পথে জাতীয় দল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দেরও সুযোগ দিয়েছে — যেমন রাকিবুল হাসান বাবু, আনাম মল্লিক ও আয়ান সামির — অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা ইতালীয় বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের পাশাপাশি।

‘দৃশ্যমানতা ও আপন হওয়া’

ইতালীয় ক্রিকেট ফেডারেশনের সভাপতি মারিয়া লোরেনা আস পাস বলেন, ‘এটা দৃশ্যমানতার প্রশ্ন, আপন হওয়ার প্রশ্ন।’ ইতালিতে জন্ম নেওয়া বা বেড়ে ওঠা অনেক বাংলাদেশি তরুণের কাছে বিশ্বকাপে ইতালির জয় মানে দুইভাবে নিজেকে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা।

বিমাস সম্পাদকীয় দল

বিমাস – বাংলাদেশ ইমিগ্রেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইতালির সম্পাদকীয় দল। আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের জন্য তথ্য, কমিউনিটি ও সংহতি।