ইতালির সবচেয়ে উদ্যোগী কমিউনিটিগুলোর একটি বাংলাদেশিরা। শ্রম মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া মানুষের একক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ৩০,৩০০টি — অ-ইইউ নাগরিকদের পরিচালিত সব প্রতিষ্ঠানের ৭.৭%; প্রতিষ্ঠানের সংখ্যায় চতুর্থ কমিউনিটি।
কী করেন তাঁরা
বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ৬২.৬% বাণিজ্যে — মুদি দোকান, মিনিমার্কেট, মোবাইল, পোশাক, ফেরি — যেখানে অ-ইইউ প্রতিষ্ঠানের গড় ৩৭.২%। দ্বিতীয় খাত ব্যবসায়িক সেবা।
কোথায়
- লাৎসিও: ৩৫.৪%
- কাম্পানিয়া: ১৫.৪%
- লম্বার্দি: ১২.৩%
ব্যাংক ও অর্থ
৭৭% বাংলাদেশির ব্যাংক হিসাব আছে, যেখানে অ-ইইউ গড় ৯০%। কমিউনিটির আর্থিক শিক্ষা সূচক ১০-এ ৩.৮। ব্যবসা বড় করতে ঋণ পাওয়া আর ডিজিটাল দক্ষতা পার্থক্য গড়ে দেয়।
শুরু করার আগে
- পার্তিতা ইভা (ভ্যাট নম্বর) ও চেম্বার অব কমার্সে নিবন্ধন লাগে; কিছু খাতে কমুনের লাইসেন্স ও বাধ্যতামূলক কোর্সও (যেমন খাদ্য ব্যবসায়)।
- হিসাবরক্ষকের সঙ্গে কর-পদ্ধতি বেছে নিন: আয় কম হলে ‘ফরফেত্তারিও’ সুবিধাজনক।
- স্বনিযুক্ত বা চাকরির পারমিট দিয়ে ব্যবসা খোলা যায়; আপনার পারমিটের শর্ত পাত্রোনাতো বা CAF-এ যাচাই করুন।





